বান্দরবান
পাথর আর সবুজে ঘেরা পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসছে জলধারা। দুধসাদা রঙের ফেনা ছড়িয়ে তা বয়ে চলেছে পাথরের গা বেয়ে। নিমেষেই ভিজিয়ে দিচ্ছে পাশের পাথুরে চাতাল। সঙ্গে অবিরাম চলছে জলধারার পতন আর প্রবাহের শব্দতরঙ্গ। লোকালয় ছেড়ে গহিন পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্য—একবার দেখলে মনের গভীরে গেঁথে থাকবে আজীবন। প্রকৃতি এমন অপার সৌন্দর্যের ডালা সাজিয়ে বসে আছে আমাদের এই সবুজ শ্যামল বাংলায়—বান্দরবানে।
বাংলাদেশে এমন ঐশ্বর্যের অবস্থান যারাই দেখে তারাই বিমোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকে। পাথুরে পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে সবাই যেন কথা হারিয়ে ফেলে। সেইসঙ্গে হারিয়ে যায় শতকষ্ট স্বীকার করে এখানে আসার সব ক্লান্তি, অবসাদ। বর্ষায় টগবগে যৌবন ফিরে পায় আমিয়াখুম। সুবিশাল জলধারা প্রবল গতিতে নেমে যায়। পাথর কেটে তীব্র বেগে ছুটে চলে নিজের দিকে।
পাথর আর সবুজে ঘেরা পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসছে জলধারা। দুধসাদা রঙের ফেনা ছড়িয়ে তা বয়ে চলেছে পাথরের গা বেয়ে। নিমেষেই ভিজিয়ে দিচ্ছে পাশের পাথুরে চাতাল। সঙ্গে অবিরাম চলছে জলধারার পতন আর প্রবাহের শব্দতরঙ্গ। লোকালয় ছেড়ে গহিন পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্য—একবার দেখলে মনের গভীরে গেঁথে থাকবে আজীবন। প্রকৃতি এমন অপার সৌন্দর্যের ডালা সাজিয়ে বসে আছে আমাদের এই সবুজ শ্যামল বাংলায়—বান্দরবানে।
বাংলাদেশে এমন ঐশ্বর্যের অবস্থান যারাই দেখে তারাই বিমোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকে। পাথুরে পাহাড়ের মাঝে এমন দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে সবাই যেন কথা হারিয়ে ফেলে। সেইসঙ্গে হারিয়ে যায় শতকষ্ট স্বীকার করে এখানে আসার সব ক্লান্তি, অবসাদ। বর্ষায় টগবগে যৌবন ফিরে পায় আমিয়াখুম। সুবিশাল জলধারা প্রবল গতিতে নেমে যায়। পাথর কেটে তীব্র বেগে ছুটে চলে নিজের দিকে।
যেভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে বাসে করে বান্দরবান যাবেন। বাস ভাড়া ৬২০ টাকা। তারপর আপনি সেখান থেকে চাইলে জীপে রিজার্ভ করে অথবা লোকাল বাসে করে থানচি যেতে পারেন। জীপ রিজার্ভ করে গেলে ৬০০০ টাকা পড়বে শুধু থানচি যাওয়া। আর বাসে করে গেলে জনপ্রতি ২০০ টাকা লাগবে। তবে বাসে গেলে সময় অনেক বেশি লাগে। আমি সাজেস্ট করবো জীপে করে যাবার যদি আপনার প্ল্যান থাকে পদ্মঝিরি হয়ে যাবার। থানচি থেকে গাইড নিবেন। গাইড ৬০০০-৮০০০ এর মধ্যে পেয়ে যাবেন।
থানচি থেকে ট্যুরিস্টরা আমিয়াখুম সাধারণত দুইটা র্যুটে যায়। - ১। পদ্মঝিড়ি হয়ে ২। রেমাক্রি, নাফাখুম হয়ে।
১। পদ্মঝিরি হয়েঃ থানচি থেকে বোটে করে পদ্মঝিরিমুখ পর্যন্ত যেতে সময় ১ ঘন্টার মত। ভাড়া ১২০০-১৫০০ টাকা। তারপর বোট থেকে নেমে ট্রেক করা শুরু করবেন আল্লাহর নামে। চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার আগেই থুইসাপাড়া পৌঁছাবার। প্রায় ৬ ঘন্টা লাগবে থুইসাপাড়া পৌছাতে। তারপর দিন খুব সকালে আমিয়াখুমের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাবেন। দুই ছোটখাট খারা পাহাড় বেয়ে উঠার পর দেবতা পাহাড় থেকে নামতে হবে। থুইসাপাড়া থেকে আমিয়াখুম যেতে ২.৫-৩ ঘন্টা লাগবে। দেবতা পাহাড় থেকে নামার পরেই আপনার মুগ্ধ হবার পালা।
:P
২। রেমাক্রি হয়েঃ থানচি থেকে সরাসরি বোটে করে চলে যাবেন রেমাক্রি। তারপর নাফাখুমের উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করতে পারেন বা মন না চাইলে রেমাক্রিতে রাত যাপন করতে পারেন। যদি হাঁটা শুরু করেই দেন তাহলে নাফাখুমের উপরের পাড়ায় এসে রাতটা কাটাতে পারেন। পরদিন সকালে নাফাখুম থেকে থুইসাপাড়া হয়ে চলে যাবেন আমিয়াখুম।
সর্বেশেষে একটা অনুরোধ যেখানেই যান না কেন আপনার দ্বারা যাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। অপচনশীল কোন দ্রব্য যেমন পলিথিন জাতীয় কিছু ফেলে আসবেন না। সাথে করে নিয়ে আসবেন অথবা পুড়িয়ে ফেলবেন আগুন দিয়ে। আমাদের দায়িত্ব আমাদের দেশের এই সুন্দর জায়গাগুলোকে রক্ষা করার।
ঢাকা থেকে বাসে করে বান্দরবান যাবেন। বাস ভাড়া ৬২০ টাকা। তারপর আপনি সেখান থেকে চাইলে জীপে রিজার্ভ করে অথবা লোকাল বাসে করে থানচি যেতে পারেন। জীপ রিজার্ভ করে গেলে ৬০০০ টাকা পড়বে শুধু থানচি যাওয়া। আর বাসে করে গেলে জনপ্রতি ২০০ টাকা লাগবে। তবে বাসে গেলে সময় অনেক বেশি লাগে। আমি সাজেস্ট করবো জীপে করে যাবার যদি আপনার প্ল্যান থাকে পদ্মঝিরি হয়ে যাবার। থানচি থেকে গাইড নিবেন। গাইড ৬০০০-৮০০০ এর মধ্যে পেয়ে যাবেন।
থানচি থেকে ট্যুরিস্টরা আমিয়াখুম সাধারণত দুইটা র্যুটে যায়। - ১। পদ্মঝিড়ি হয়ে ২। রেমাক্রি, নাফাখুম হয়ে।
১। পদ্মঝিরি হয়েঃ থানচি থেকে বোটে করে পদ্মঝিরিমুখ পর্যন্ত যেতে সময় ১ ঘন্টার মত। ভাড়া ১২০০-১৫০০ টাকা। তারপর বোট থেকে নেমে ট্রেক করা শুরু করবেন আল্লাহর নামে। চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার আগেই থুইসাপাড়া পৌঁছাবার। প্রায় ৬ ঘন্টা লাগবে থুইসাপাড়া পৌছাতে। তারপর দিন খুব সকালে আমিয়াখুমের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাবেন। দুই ছোটখাট খারা পাহাড় বেয়ে উঠার পর দেবতা পাহাড় থেকে নামতে হবে। থুইসাপাড়া থেকে আমিয়াখুম যেতে ২.৫-৩ ঘন্টা লাগবে। দেবতা পাহাড় থেকে নামার পরেই আপনার মুগ্ধ হবার পালা।
২। রেমাক্রি হয়েঃ থানচি থেকে সরাসরি বোটে করে চলে যাবেন রেমাক্রি। তারপর নাফাখুমের উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করতে পারেন বা মন না চাইলে রেমাক্রিতে রাত যাপন করতে পারেন। যদি হাঁটা শুরু করেই দেন তাহলে নাফাখুমের উপরের পাড়ায় এসে রাতটা কাটাতে পারেন। পরদিন সকালে নাফাখুম থেকে থুইসাপাড়া হয়ে চলে যাবেন আমিয়াখুম।
সর্বেশেষে একটা অনুরোধ যেখানেই যান না কেন আপনার দ্বারা যাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। অপচনশীল কোন দ্রব্য যেমন পলিথিন জাতীয় কিছু ফেলে আসবেন না। সাথে করে নিয়ে আসবেন অথবা পুড়িয়ে ফেলবেন আগুন দিয়ে। আমাদের দায়িত্ব আমাদের দেশের এই সুন্দর জায়গাগুলোকে রক্ষা করার।



No comments:
Post a Comment